
সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই কুরআনের সাথে যুক্ত করবেন যেভাবে
শৈশবের কোমল হৃদয়ে কুরআনের ভালোবাসা বপন করা সবচেয়ে সহজ ও সবচেয়ে স্থায়ী। ঘরোয়া কিছু অভ্যাস ও সঠিক পরিবেশই গড়ে দিতে পারে কুরআনপ্রেমী একটি প্রজন্ম।
প্রতিটি শিশুই জন্ম নেয় পবিত্র ফিতরাতের ওপর। ছোটবেলার অভিজ্ঞতাগুলোই অনেকাংশে নির্ধারণ করে দেয় সে বড় হয়ে কেমন মানুষ হবে। তাই কুরআনের সাথে শিশুর সম্পর্ক যত আগে গড়ে তোলা যায়, ততই তা হয় গভীর ও স্থায়ী।
শোনার পরিবেশ তৈরি করুন
শিশু কথা বলার আগেই শুনতে শেখে। ঘরে নিয়মিত সুন্দর তিলাওয়াত বাজলে শিশুর কান ও অন্তর কুরআনের সুরের সাথে পরিচিত হয়ে ওঠে। সকালে ঘুম ভাঙা কিংবা রাতে ঘুমানোর সময় কোমল তিলাওয়াত হতে পারে চমৎকার অভ্যাস।
ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন
একসাথে অনেক কিছু চাপিয়ে না দিয়ে সপ্তাহে একটি ছোট সূরা বা কয়েকটি আয়াত শেখার লক্ষ্য রাখুন। প্রতিটি ছোট সাফল্যে উৎসাহ দিন—এই ইতিবাচক অনুভূতিই শিশুকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
- প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সময় কুরআনের জন্য বরাদ্দ করুন
- শেখার পর প্রশংসা ও ছোট পুরস্কারে উৎসাহ দিন
- নিজে তিলাওয়াত করে আদর্শ উপস্থাপন করুন
- ভুল হলে ধমক নয়, ধৈর্যের সাথে সংশোধন করুন
“তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে নিজে কুরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।”
সঠিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নিন
ঘরের প্রচেষ্টার পাশাপাশি একটি আদর্শ মক্তব বা মাদরাসার সুশৃঙ্খল পরিবেশ শিশুর শেখাকে অনেক সহজ করে দেয়। অভিজ্ঞ উস্তাদের তত্ত্বাবধানে শুদ্ধ উচ্চারণ ও নিয়মিত অনুশীলন শিশুর ভিত্তিকে মজবুত করে তোলে।
وَفِي ذَٰلِكَ فَلْيَتَنَافَسِ الْمُتَنَافِسُونَ
“আর এ ব্যাপারেই প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করা উচিত।”
আরও পড়ুন
সব লেখাوَقُل رَّبِّ زِدْنِي عِلْمًا
আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের যাত্রা শুরু হোক এখান থেকেই
সীমিত আসনে চলছে ভর্তি কার্যক্রম। আজই যোগাযোগ করুন কিংবা অনলাইনে আবেদন করে নিশ্চিত করুন আপনার সন্তানের আসন।


